Digital Democracy Initiative Logo
Language:
হোম ট্র্যাকিং আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ ড্যাশবোর্ড
ফিরে যান

এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।

ID: CFP-077 | মশক নিয়ন্ত্রণ সমস্যা

সমাধান করা হয়েছে

বেড়া পৌরসভার 3 নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সামনের রোডে পশ্চিম দিকে একটু ভিতরে একটি পুকুর অবস্থিত। ওই এলাকায় ৩০ থেকে ৩৫ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। পুকুরটিতে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থাকে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ফলে চরম আকারে সাধারণ মানুষের হচ্ছে। এবং ডেঙ্গু মশাবাহিত নানা ধরনের রোগ হচ্ছে। উক্ত পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট মশা নিধনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

বনগ্রাম দক্ষিন বেড়া পাবনা 1 month ago জরুরি

অভিযোগের মূল ছবি

আগের অবস্থা

আগের অবস্থা

আপনার ফিডব্যাক

বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ, এই অঞ্চলে মশার উপদ্রব খুবই বেড়েছিল। অঞ্চলটিতে একটি জলাশয়ে অনেক দিনের পানি জমে থেকে বদ্ধ পানিতে রূপান্তরিত হয়ে দিন দিন মশার প্রজনন ক্ষেত্র পরিণত হচ্ছিল। জলাশয়ের আশপাশে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবারের মানুষস্থায়ীভাবে বসবাস করছে। জায়গাটি চিহ্নিত করে আমি পৌরসভার কাছে অভিযোগ দিয়েছিলাম। অভিযোগ জমা দেয়ার কিছু দিনের মধ্যেই তারা নিজ দায়িত্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পৌরসভার কর্তৃপক্ষ গন ফগিংএর মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। মশা নিয়ন্ত্রণে আসার পর এই এলাকাবাসীর কাছে এই বিষয়ে কথা বলি তারা মনোযোগ সহকারে সমস্ত কথা শুনলেন। এবং তারা বললেন ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর এখন অনেকটাই মশা নিয়ন্ত্রণে এসেছেন, তবে ফগিং যেন নিয়মিতভাবে দেওয়া হয়। তাই কর্তৃপক্ষের নিকট আমার আশ্বাস তারা যেন নিজ দায়িত্বে এবং নিয়মিতভাবে ফগিং টা চালিয়ে যান।

টাইমলাইন

অপেক্ষমাণ (Sarna khatun)

অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে

19 আগ. 2026, 18:03
অপেক্ষমাণ (মো. মামুন হোসেন)

Seen

20 আগ. 2026, 15:00
ব্যবস্থা গৃহীত (মো. মামুন হোসেন)

Seen

27 আগ. 2026, 17:31
পর্যালোচনাধীন (মো. মামুন হোসেন)

এই সাপ্তাহের মধ্যে মশক নিধন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

27 আগ. 2026, 17:33
সমাধান করা হয়েছে (মো. মামুন হোসেন)

২৭/০৮/২০২৬ ইং বিকেল ৫ ঘটিকায় ফগার মেশিন দ্বারা অত্র এলাকার মশক নিধন কর্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

28 আগ. 2026, 09:23

তথ্য

ক্যাটাগরিমশক নিয়ন্ত্রণ সমস্যা
অগ্রাধিকারজরুরি
তৈরি হয়েছে19 আগ. 2026
কর্মকর্তামো. মামুন হোসেন