অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে মশা নিধনের প্রয়োজন বেড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের ডাকবাংলা এলাকার শহীদ আব্দুল খালেক স্টেডিয়ামের পেছনের অংশে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পথচারী ও আশপাশের মানুষের জন্য বিষয়টি বেশ ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্টেডিয়াম এলাকায় জলাবদ্ধতা ও নোংরা পানি থাকার কারণে মশার প্রজননের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড সান্যালপাড়া-চকপাড়া ব্রিজের পাশে (আব্দুর রহিম এর বাড়ির সামনে) ময়লা-আবর্জনা জমে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০-৩০০ মানুষ যাতায়াত করে এবং এখানে ১০-১৫ টি পরিবার বসবাস করে। মশার উপদ্রব বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় লোকজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, দত্তকান্দি আলহাজ্ব আব্দুর রহম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির সামনে, রাস্তা থেকে পশ্চিমে ভেতরের দিকে একটা বদ্ধ জলাশয় অবস্থিত।, স্থানের আশেপাশে প্রায় ২০-২৫ কি পরিমাণ ভাবে বসবাস করে। জলাশয়টি তো অনেকদিন যাবত বৃষ্টির পানি জমে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে দিন দিন বেড়েই চলছে ।অনেকদিন হলো অনেকদিন হলো ওই এলাকায় মশা নিধনের জন্য কোন প্রকার স্প্রে ফগিং করা হয়নি। ফলে মশার উপদ্রব বৃদ্ধির কারণে এলাকাটির জনসাধারণের ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। উক্ত, এলাকাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মশা নিধনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
৩ নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ দিবা জেবা ভিলা অর্থাৎ সুলতান মাহমুদ এর বাড়ির পাশে। এখানে ৫০ টি পরিবারের মত মানুষ বসবাস করে, স্থানীয় নাগরিকেরা বসবাস করেন। রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলেন, এবং গরুর গোবর থাকার কারণে দিন দিন মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। রাস্তাটি দিয়ে সাধারণ জনগণ চলাফেরা করেন, রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা থাকার জন্য দুর্গন্ধ, মশা, মাছি এবং স্বাস্থ্য হানি ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়। এবং রোগ ব্যাধির আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট মশা নিধনের জন্য জরুরী পদক্ষেপ আশা করছি।
আবাসিক এলাকায় বর্জ্য সময়মতো সংগ্রহ করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড চকপাড়া ব্রিজের (চাঁদ আলী মোল্লার বাসার) পাশে বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে ময়লা-আবর্জনা জমে দূর্গন্ধ ছড়ায়। এতে করে সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০-৩০০ মানুষ যাতায়াত করার সময় রাস্তায় ময়লা এবং দূর্গন্ধের কারণে সবাইকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
ড্রেন/জলাশয় পরিষ্কার রাখা হয় না।
বেড়া পৌরসভা,৪নং ওয়ার্ড এর "নতুন পাড়া" গ্রামের রমজান সাহেবের বাসার সামনে ধীর্গদিন যাবত ময়লার স্তুপ জমা পরে আছে যা ফলে পাশরর্তি এলাকা গুলোর মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। কর্তি পক্ষে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি দ্রুততার সাথে ব্যাবস্থা নিন।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত বনগ্রাম দক্ষিণ জয়নুল আবেদীনের তিন মাথার মোড় সংলগ্ন রাস্তাটিতে কোন প্রকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই। রাস্তাটি উক্ত এলাকাটির প্রধান সড়ক হওয়ায় রাস্তাটিতে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষজন যাতায়াত করে, প্রতিদিন প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ মানুষ যাতায়াত করে। এমনকি উক্ত রাস্তাটি থেকে একটু সামনে একটি মাদ্রাসা অবস্থিত। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এই রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। রাস্তাটির পাশে ময়লা আবর্জনা জমে থাকার কারণে সাধারণ জনগণের চলাচলে অসুবিধা হয়। সুতরাং,আমি মনে করি এখানে একটি ডাস্টবিনের প্রয়োজন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে ও সাধারণ জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ সাবা মেডী স্মার্ট অর্থাৎ প্রোঃ মোছাঃ আঁখি খাতুন এর চেম্বারের সামনের রাস্তার পাশে। এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ এর অধিক লোক যাতায়াত করে। এই রাস্তাটি দিয়ে সাধারণ জনগণ এবং ইস্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা ও ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা চলাচল করেন। স্থায়ী বাসিন্দাদের ময়লা আবর্জনা ফেলার ব্যবস্থাপনা নেই, বজ্র ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখার জন্য পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। যাতায়াতকারীদের সুবিধার ক্ষেত্রে বজ্র ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন। এই রাস্তাটিতে দ্রুত বজ্র ব্যবস্থাপনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ডাস্টবিনের আবেদন করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়াডের অন্তর্ভুক্ত হাতিগাড়া পূর্বপাড়া এই এলাকাতে প্রায় ১০০ - ১৫০ টি পরিবার বসবাস করে । উক্ত এলাকায় ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার মানুষজন বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে গর্ত করে তাদের অপ্রয়োজনীয় নোংরা পানি খেলতে বাধ্য হচ্ছে। এই নোংরা পানি পচে প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এবং পচা পানিতে প্রচুর মশা উৎপন্ন হচ্ছে। এই এলাকাতে এ যাবৎ একবারও ফগিং বা মশা নিধন স্প্রে করা হয়নি। যার ফলে বর্তমানে মশার উপদ্রব্য চরম আকারে বাড়ছে এবং ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া সহ নানান মশা বাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। এবং এলাকার মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে অতএব, উক্ত এলাকায় ১০০ - ১৫০ টি পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জন ভোগান্তি নিরসনে ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরী।
সরবরাহকৃত পানি নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত বা পান করার অনুপযোগী।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চকপাড়ার পানির লাইনের ট্যাপ এটি, পৌরসভা থেকে পানি সাপ্লাই দেওয়া হয়। মূলত সমস্যা হচ্ছে এই পানিটা আয়রনযুক্ত, আয়রনযুক্ত হওয়ার কারণে গোসল খাওয়া জামা কাপড় কাচা ইত্যাদিতে অনেক সমস্যা হয়। সাপ্লাইয়ের এই পানিটা আয়রনমুক্ত করা দরকার।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বনগ্রাম উত্তর অন্তর্গত ২ নং ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে।এই এলাকায় অনেক দিন যাবৎ ফগিং করা হয় না। নিয়মিত ফগিং করা হলে মশা এত বৃদ্ধি পেত না। মশা বেড়ে যাওয়ার কারণে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বিকালবেলা ঘরের বাইরে গিয়ে খেলাধুলা করতে পারে না। এমনকি বড়ো মানুষগুলোও বিকাল হলে বাইরে বসতে পারে না। তাই এই এলাকায় ফগিং করা অতীব জরুরী।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চকপাড়া দক্ষিণ, রবিনের দোকান থেকে ফকিরের প্রজেক্ট পর্যন্ত মশার খুব সমস্যা। এই পাড়াটা একটু ভেতরে হওয়ায় এখানে মশা নিধন কোন স্প্রে তেমন একটা করা হয়নি পৌরসভা থেকে। চকপাড়া দক্ষিণ এই পাড়ায় ৪০-৫০ টা পরিবার বসবাস করে এখানে মশা নিধন স্প্রে করা খুব দরকার।