অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
রাস্তা/ফুটপাতে আবর্জনা পড়ে আছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, বনগ্রাম দক্ষিণ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটু সামনে পশ্চিম দিকে রোডে ভেতরের এলাকার রাস্তা ও ফুটপাতে ময়লা আবর্জনা থেকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ময়লা আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকার কারণে রাস্তার আশেপাশে ময়লা পড়ে আছে। এতে করে সাধারণ জনগণের চলাচলে চরম অসুবিধা পোহাতে হচ্ছে। ময়লা আবর্জনা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আশেপাশে প্রায় ৩৫-৪০টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। ওই রাস্তায়৫০০ সাধারণ মানুষ চলাচল করে। উক্ত এলাকার রাস্তা ও ফুটপাত পরিচ্ছন্নতা এবং ডাস্টবিনের ব্যবস্থাপনা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত উপজেলা থেকে কানাইবাড়ী রাস্তা সংলগ্ন কবরস্থান এর পাশের একটা বদ্ধ জলাশয় অবস্থিত। উক্ত স্থানের আশেপাশের প্রায় ৪০-৫০ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থেকে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে । উপরন্তূ এলাকাটি ভেতরে পরিবারগুলোতে কখনোই লগিং বা মশা নিধন স্প্রে করা হয়নি। বলে বর্তমান মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে এবং ডেঙ্গু সহ নানা ধরনের মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উক্ত এলাকার পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জরুরী ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণপাড়ার বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের পুকুর পাড়ে দক্ষিণপাড়া শাহাপাড়ার সামনে তিন রাস্তার মোড়ে যত্রতত্র ময়লা পড়ে থাকে। এখানে আগে একটা চায়ের দোকান ছিল স্থানীয় বাসিন্দারা এখন এখানে ময়লা ফেলে এই ময়লা পুকুর সহ কিছু কিছু সময় রাস্তার উপর চলে আসে এখানে একটা ডাস্টবিন দরকার। কর্মকার পাড়াতে ডাস্টবিন আছে এবং যথাসময়ে পৌরসভার সবুজ গাড়ি গুলো ময়লা কালেক্ট করে। আমার উল্লেখিত ছবি এবং লোকেশনে একটা ডাস্টবিন দিলে ময়লা আর রাস্তা কিংবা পুকুরে চলে যাবে না ফলে কর্মকার পাড়া থেকে ময়লা কালেক্ট করে নিয়ে যাবার সময় এই এরিয়া থেকেও কালেক্ট করা সহজ হবে।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, বনগ্রাম দরগা বাড়ি জামে মসজিদ থেকে সামনে নুরুল হাজির চাতালের বাম পাশের এলাকার হোল্ডিং নম্বর (৪৪/১)। উক্ত স্থানে প্রায় ৪০-৪৫ কি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে এবং ওই এলাকার প্রধান সংযোগ পথ হওয়ায় প্রতিদিন অন্তত ১০০০ জন মানুষ ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থেকে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ফলে বর্তমানে মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে এবং সাধারণ মানুষের ডেঙ্গু সহ নানা মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে উক্ত, পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষার এবং ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ মৃত হাজী ফয়েজ উদ্দিন ফকিরের বাড়ি সংলগ্ন ,এই এলাকায় ৪৫ থেকে ৫০ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে ।এই পুকুরটিতে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে দিন দিন মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে ।ফলে চরম আকারে সাধারণ জনগণের নানা ধরনের রোগ হচ্ছে ,ডেঙ্গু ,ম্যালেরিয়া ,ইত্যাদি , মশা বাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ।সাধারণ পরিবারের মানুষগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ,কর্তৃপক্ষের নিকট মশা নিধনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী ।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণপাড়ার বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে এই এরিয়াটাতে মশার উপদ্রব খুব বেশি। এই এরিয়ার বাড়ি গুলোর পেছনে, আশেপাশে জঙ্গল টাইপের হওয়ায় মশার উৎপাত খুব বেশি। ঠিক রাস্তার এইখান থেকে দক্ষিণ সাইট নন্দীপাড়া পর্যন্ত মশানিধক স্প্রে করা দরকার। দক্ষিণপাড়ার শেষ অংশ হওয়াতে এই এরিয়াটায় তেমন একটা মশা নিধক স্প্রে করা হয় না।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড সান্যালপাড়া কবরস্থান এর গেটের সামনের পুকুরে ময়লা আবর্জনা জমে থাকায় এবং জঙ্গলে ঢেকে যাওয়ার কারণে অনেক মশার সৃষ্টি হয়েছে। এখান দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০০/৪০০ লোক যাতায়াত করে। নিয়মিত ফগিং না করার কারনে এই সব মশার সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়া এলাকায় রাস্তার দুই পাশে ঘন জঙ্গলে ঢেকে যাওয়ায় অনেক মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে সাধারণ পথচারী সহ প্রায় ৩০০/৪০০ লোক নিয়মিত যাতায়াত করে । নিয়মিত ফগিং না করায় মশার উপদ্রব নিয়মিত বৃদ্ধি পেয়েছে। উক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ডের সান্যালপাড়া মসজিদের পিছনে (খাজার বাসার) পাশের পুকুরে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে অনেক মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।এতে করে ২০/২৫ টি পরিবারের বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছে। উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হল।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ডের দাসপাড়া রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে অনেক দূর্গন্ধ ছড়ায় এছাড়াও অনেক মশার উপদ্রব ও বেড়েছে। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৬০০/৮০০ মানুষ যাতায়াত করে এবং এর আশেপাশে বাচ্চারা খেলাধুলা করে। এদের সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড, বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের পুকুরে এবং রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা জমা হওয়ায় প্রচুর পরিমানে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৬০০/৭০০ পথচারী মানুষ এবং বেড়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী চলাফেরা করে। এতে করে আশেপাশের মানুষের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড, চকপাড়া ব্রিজের পাশে ময়লা আবর্জনা জমা হওয়ায় এবং ক্যানালের পানি জমে প্রচুর পরিমাণে মশার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে আশেপাশের মানুষের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এখানে ৩০-৩৫ টি পরিবার বসবাস করে। এই ৩০-৩৫ টি পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।