অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
2 নাম্বার ওয়ার্ড বনগ্রাম উত্তর চরপাড়া । দীর্ঘদিন বৃষ্টির কারণে ময়লা পুকুরে পানি জমে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এছাড়াও ড্রেনে, ফুল গাছের টবে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে প্রচুর পরিমাণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এই এলাকা ২০০ থেকে ৩০০ টি পরিবারের বসবাস। অতএব মশার কামড়ে ড্রেংগু ম্যালেরিয়া এসব রোগ প্রতিরোধ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা ।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
2 নাম্বার ওয়ার্ড বনগ্রাম উত্তর চরপাড়া । দীর্ঘদিন বৃষ্টির কারণে ময়লা পুকুরে পানি জমে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এছাড়াও ড্রেনে, ফুল গাছের টবে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে প্রচুর পরিমাণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এই এলাকা ২০০ থেকে ৩০০ টি পরিবারের বসবাস। অতএব মশার কামড়ে ড্রেংগু ম্যালেরিয়া এসব রোগ প্রতিরোধ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা ।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বনগ্রাম উত্তর ২ নং ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে এখানে প্রায় ২০০০ -৩০০০ লোক বসবাস করে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার কারণে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বিকালবেলা ঘরের বাইরে গিয়ে খেলাধুলা করতে পারেনা। অনেক দিন আগে গাড়িতে করে মশা নিধনের ধোঁয়া শুধু রাস্তায় দিয়েছিল। যেসকল বাড়ি রাস্তা থেকে ভেতরের দিকে সে সকল বাড়িতে কোন উপকার হয় নাই। তাই এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রত্যেক বাড়িতে গিয়ে মশা নিধনের ওষধ প্রয়োগ করলে বা ধোয়া দিলে উপকার হবে।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের আনোয়ার খাঁয়ের বাড়ির পাশের ব্রিজের বাম পাশের ঢালে (মনির বাড়ির সামনে) কোনো ডাস্টবিন নেই। বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষজন রাস্তার পাশেই ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে এলাকার মানুষের বসবাস অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবেশ দূষণ রক্ষায় নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা করা জরুরী।
রাস্তার বাতিগুলো নষ্ট/মাঝে মাঝে নিভে যায়।
বেড়া হাতিগাড়া মধ্যপাড়া রাস্তায় তার খাম্বায় কোন আলো নেই এখানে মানুষের চলাচল অনেক সমস্যা হয় এই রাস্তায় প্রতিদিন ২০০-৩০০ লোক চলাচল করে রাস্তায় আলো না থাকার কারণে মানুষের চলাচল করা অনেক সমস্যা হয় যদি রাস্তার আলোগুলো ঠিক করা হয় তাহলে মানুষের চলাচল করা সহজ হবে
খাবারের দোকান বা বাজারে বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সুইপার কলোনী, এই কলোনীতে ৩০-৩৫ টি ঘর আছে ব্রেডের আওতাভুক্ত সমস্যাগুলোর প্রত্যেকটি এই কলোনিতে আছে তার মধ্যে সবচাইতে বেশি উল্লেখ্য নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত সমস্যা। তারা হরিজন সম্প্রদায়ের, হিন্দুদের প্রথা অনুযায়ী হরিজনরা নিচু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়ভাবে তারা অবহেলিত এবং বেড়া পৌরসভার সবচাইতে অবহেলিত এলাকা। পৌরসভার সুযোগ-সুবিধা এই কলোনীতে খুব কম আসে। বলতে গেলে পৌর এলাকার সবচাইতে কম সুবিধাভোগী এলাকা এই সুইপার কলোনী। তাদের নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি।
নির্দিষ্ট এলাকায় আলোর ব্যবস্থা নেই।
৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত বনগ্রাম দক্ষিণ জামে মসজিদের বিপরীত পাশের রাস্তা হোল্ডিং নং ৩১১/১ মোঃ অলিউল ইসলামের বাসার সামনের রাস্তার পাশে পরপর দুটি ল্যামপোসট আছে কিন্তু কোনো আলোর ব্যবসথা নেই। রাস্তাটিতে বাতি না থাকায় এখানকার স্থানীয় নাগরিকদের অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। এই রাস্তাটি দিয়ে রাতে এশার নামাজ পড়ার জন্য অনেক মানুষ যাতায়াত করে।এখানকার স্থানীয় নাগরিকদের কাছে থেকে পাওয়া তথ্য মতে এখানে প্রায়ও সময় চুরির মতো ঘটনা ঘটে। সাধারণ জনগনের নিরাপত্তা ও চলাচলের সুবিধার জন্য দ্রুত আলোর ব্যাবসথাপনা করা প্রয়োজন। উল্লেখিত রাস্তাটিতে আলোর ব্যবসথাপনা করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৭ নং ওয়ার্ড বড়শিলা গ্রামের বাজার সংলগ্ন দোকানের পাশের পানিতে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে পানি দূষিত হয়ে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ দিন ফগিং না করায় ডেঙ্গু সহ নানা মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উক্ত এলাকায় ৪০-৪৫ টি পরিবার বসবাস করে এবং ২০০-৩০০ পথচারী নিয়মিত যাতায়াত করে।এলাকার ৪০-৪৫ টি পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনভোগান্তি নিরশনে জরুরি ভিত্তিতে ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৭ নং ওয়ার্ড বড়শিলা গ্রামের বাজার সংলগ্ন দোকানের পাশের পানিতে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে পানি দূষিত হয়ে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ দিন ফগিং না করায় ডেঙ্গু সহ নানা মশা বাহিত রোগের ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উক্ত এলাকায় ৪০-৪৫ টি পরিবার বসবাস করে এবং ২০০-৩০০ পথচারী নিয়মিত যাতায়াত করে।এলাকার ৪০-৪৫ টি পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনভোগান্তি নিরশনে জরুরি ভিত্তিতে ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে।
বেড়া পৌরসভার টাউন ক্লাবের পাশে (সেলিম সাহেবের বাড়ির সামনে) দীর্ঘদিন ধরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে একটি বড় ধরনের ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই রাস্তাটি বেড়া বাজার থেকে বেড়া পৌরসভা এবং বেড়া মডেল থানায় যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ সড়ক। এছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ময়লার স্তূপটি বেড়া সার্কেল পুলিশ (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) এর কার্যালয় এর ঠিক সামনেই যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। প্রতিদিন এই পথে প্রায় ৫০০-এরও বেশি সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে ময়লা ফেলার ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যা পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা অতিষ্ঠ করে তুলছে। এতে কেবল এলাকার পরিবেশই নষ্ট হচ্ছে না, বরং ডেঙ্গু ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে। অতএব, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে উক্ত ময়লার স্তূপটি দ্রুত পরিষ্কার করা এবং স্থানটিতে স্থায়ীভাবে ময়লা ফেলা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের হাতিগাড়া পূর্বপাড়া নতুন জামিয়া মসজিদের পাশে এই এলাকায় প্রায় ৪০ - ৫০ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে এবং মসজিদের সাথের রাস্তাটি প্রধান সড়ক পথ হওয়া প্রতিদিন প্রায় ৫০০ - ৭০০ জন মানুষ এবং রিকশা ভ্যান চলাচল করে । তিনমাথা মোড়ের এই রাস্তাটির মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমা থাকে। একপাশের রাস্তা মেরামত করার সময় রাস্তাটি উঁচুহয়ে যায় এবং আরেক পাশের রাস্তাটি নিচু। সেই নিচু জায়গাতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব্য ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়েছে। উক্ত এলাকাটিতে এযাবৎ একবারও ফকিং বা মশার নিধন স্প্রে করা হয়নি। ফলে মশার উপদ্রব্য চরম আকার ধারণ করেছে এবং ডেঙ্গু সহ নানান মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উক্ত এলাকাটির পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জন ভোগান্তি নিরশনে জরুরী ভিত্তিতে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করে রাস্তা উঁচু করা এবং ফকিং এর মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
৩নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিন কামালের বাড়ির সামনে স্থানীয় লোকেরা রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলে নোংরা করে রাখে। রাস্তার পাশে দূর্গনধ, মশা,মাছি, এবং স্বাস্থ্যহানী ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়।এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৫০টা পরিবারের মানুষেরা চলাচল করেন, সাধারণ জনগণের পক্ষে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা খুবই কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং দিন দিন রোগ ব্যাধির আশংকা বেড়ে যাচ্ছে। তাই আমি বেড়া পৌরসভার নাগরিক হিসেবে কতৃপক্ষের কাছে জরুরি ডাস্টবিনের আবেদন করছি।