অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে।
বেড়া পৌড়সভা, "শাহ পাড়া" "৪ নং ওয়ার্ড" দীর্ঘদিন ধরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে একটি বড় ধরনের ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে।গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ময়লাপ্রতিদিন এই পথে প্রায় ৫০০-এরও বেশি সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে ময়লা ফেলার ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যা পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা অতিষ্ঠ করে তুলছে। এতে কেবল এলাকার পরিবেশই নষ্ট হচ্ছে না, বরং ডেঙ্গু ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে। অতএব, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে উক্ত ময়লার স্তূপটি দ্রুত পরিষ্কার করা এবং স্থানটিতে স্থায়ীভাবে ময়লা ফেলা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গণপরিসরে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা নেই।
আমার বেড়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত, বনগ্রাম দক্ষিন এর বাসিন্দা মিনা ম্যাডামের বাড়ির সামনের রাস্তা।এখানের স্থানীয় নাগরিকদের ময়লা আবর্জনা ফেলার কোন ব্যবস্থাপনা নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে এখানকার বাসিন্দারা যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখে।এতে করে পরিবেশ দূষিত হয়। এই রাস্তাটি দিয়ে প্রায় ৫০০-৬০০ সাধারণ জনগণ যাতায়াত করে থাকে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে ও যাতায়াতকারীদের সুবিধার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন। এই রাস্তাটিতে দ্রুত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কতৃপক্ষের কাছে জরুরি অনুরোধ করছি।
বৃষ্টির পানি জমে আছে/জলাবদ্ধতা হচ্ছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত, বনগ্রাম দক্ষিণ এর বাসিন্দা বেড়া বাজারের ব্যবসায়ী বৈশাখী বস্ত্রালয়ের মালিক এর বাড়ির সামনে অবস্থিত রোডে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এই জলাবদ্ধতার কারণেস্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল করতে অসুবিধা হয়। এই রাস্তার আশেপাশে স্থানীয় প্রায় ৫০টা পরিবার বসবাস করে। সাধারণ জনগণ এবং স্কুলের ছাত্র ছাত্রী চলাচল করে ৫০০-১০০০এর বেশি। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি অনুরোধ করছি।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত বনগ্রাম দক্ষিণ আনোয়ার খানের ব্রীজের বাম পাশে ঢালু রাস্তা বেড়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক কাজী সালামের বাসার বিপরীতের রাস্তার পাশে এখানকার স্থানীয় নাগরিকেরা, ময়লা আবর্জনা রাস্তার পাশে স্তুপ করে ফেলে রাখে। দীর্ঘ দিন আবর্জনা থাকার ফলে পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়ে যায়। রাস্তাটি দিয়ে কমপক্ষে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ মানুষজন যাতায়াত করে থাকে। এমন দূষিত পরিবেশ চলাচলকারীদের জন্য একদম অনুপযোপী। অতএব,পরিবেশ দূষণ রোধে ওঅসাস্থ্যকর পরিবেশ এড়াতে ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য ডাষ্টবিনের অনেক প্রয়োজন।অতি দ্রুত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।
বৃষ্টির পানি জমে আছে/জলাবদ্ধতা হচ্ছে।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত কর্মকার পাড়া বেড়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর দক্ষিণ পাশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টি হলেই এখানে পানি জমে রাস্তায় পানি উঠে আসে এবং পুরো রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায় এই রাস্তা দিয়ে বেড়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ কর্মকার পাড়ার লোকজন যাতায়াতে অসুবিধা হয়।
বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে।
আলহেরা নগরীর আলহেরা একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ডাক্তার আব্দুল বাসেত খান এর চেম্বারের মধ্যবর্তী কালবার্ট সংলগ্ন রাস্তার বাম পাশে ক্যানেল এর পানির ভিতরে ও রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এখানে ডাস্টবিন থাকলেও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না করায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুততার ভিত্তিতে বর্জ্য অপসারণ করা জরুরী।
জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।
বেড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত হাতিগাড়া পূর্বপাড়া গিয়েস সরকার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৭০ টি পরিবার বসবাস করে এবং প্রধান সড়ক রাস্তা হওয়ায় এই রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় ৫০০ - ৭০০মানুষ ও ৫০০ - ১০০০টিযানবাহন চলাচল করে। এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার মানুষ রাস্তার পাশে বজ্র আবর্জনা ও নোংরা পানি ফেলতে বাধ্য হচ্ছে। নোংরা পানি ও বজ্র আবর্জনা পচে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এবং মশা মাছির উপদ্রব্য চরম আকারে বাড়ছে। এতে এলাকার মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে। এবং বৃষ্টির কারণে উক্ত স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে এলাকার মানুষজন ও যানবাহন যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। অতএব , এলাকার পরিবেশ রক্ষা ও জন ভোগান্তি নিরশনে দ্রুত বজ্র আবর্জনা পরিষ্কার ও নোংরা পানি নিষ্কাশন করে এলাকায় ডাস্টবিন ও ড্রেনেজের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
আমরা বেড়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চরপাড়া বনগ্রাম উত্তর (বড় কালীবাড়ি) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এই এলাকায় কোনো ডাস্টবিন না থাকার কারণে ছবিতে নির্দেশিত স্থানে চরপাড়া (কর্মকার বাড়ির পিছনে) এলাকার প্রায় অধিকাংশ লোক ময়লা আবর্জনা ফেলে। যার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বর্জ্য আবর্জনা বৃদ্ধি, দূর্গন্ধ এবং মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্জ্য পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্হা করে এবং নির্দিষ্ট স্হানে ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান কামনা করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
০৭নং ওয়ার্ড: হাতিগারা বউবাজার মো: আবুল কালাম আজাদের বাসার সামনের পুকুরে অনেক আবর্জনা ফেলার কারনে অনেক মশার উৎপাত বেড়েছে দূরত এটার ব্যবস্থা নেয়া দরকার কারণ এ খানে 300+ পরিবার বসবাস করে
রাতে কোনো আলো দেখা যায় না।
০৭ নং ওয়ার্ড: হাতি গাড়া বউ বাজার সংলগ্ন রহিম চাচার চা এর দোকানের সামনের লেমপোস্ট দীর্ঘ দিন ধরে আসে কোনো বাল্প এখনো লাগানো হয় নাই বউ বাজার আর সাথে হওয়ার কারণে অনেক প্রয়োজন আয় খানের লেম্পষ্ট তাহ দূরত্ব ঠিক করা কারণ বউ বাজার প্রতিদিন পায় 200_300 লোক আর অধিক যাতায়াত হয়
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সান্যালপাড়া দক্ষিণ ( ওমর স্যারের বাড়ির সাথে ) মানুষজন যত্রতত্র ময়লা ফেলে এর ফলে পরিবেশ নষ্ট হয়। এই এরিয়াতে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দরকার।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের আনোয়ার খাঁয়ের বাড়ির পাশের ব্রিজের ডান পাশের ঢালে (ফরহাদের বাড়ির সামনে) কোনো ডাস্টবিন নেই। বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষজন রাস্তার পাশেই ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে এলাকার মানুষের বসবাস অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবেশ দূষণ রক্ষায় নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা করা জরুরী।