অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
সরবরাহকৃত পানি নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত বা পান করার অনুপযোগী।
আমরা বেড়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত হাতীগাড়া পশ্চিম পাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের এলাকায় পৌর সাপ্লাই পানি সরবরাহে চরম অনিয়ম ও আয়রন যুক্ত পানি সরবরাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে এলাকার সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ, রান্না-বান্না ও গোসলের কাজে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীকে নিকটস্থ পুকুর বা জলাশয়ের অপরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পৌর আয়রন যুক্ত সাপ্লাই ও নোংরা পানি ব্যবহারের ফলে ইতোমধ্যে এলাকায় চর্মরোগ (যেমন: চুলকানি) এবং বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে, যা সার্বজনীন জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। উক্ত এলাকার দীর্ঘদিনের পানিসংকট ও জনভোগান্তি নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত আয়রন মুক্ত নিয়মিত সাপ্লাই পানি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত সান্যাল পাড়ায় এরকম কিছু কিছু ছোট পুকুরে পানি আবদ্ধ হয়ে আছে এবং এই জায়গাগুলোতে মশার উপদ্রব সবচাইতে বেশি। এরকম পরিবেশ মশার জন্য বসবাসযোগ্য সেক্ষেত্রে দেখা যায় এখান থেকে ডেঙ্গুর মত ক্ষতিকারক মশার জন্ম হয়। পৌরসভা থেকে মশা নিধক স্প্রে করার সময় শুধু রাস্তার দুই পাশেই করে এই পুকুরগুলো রাস্তা থেকে ১০০ ১৫০ মিটার দূরে এগুলোতে কোন স্প্রে করে না সে কারণে পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার পদক্ষেপ নিলেও মশা নিধন করা যায় না প্রতি বছর ডেঙ্গুতে প্রায় পৌরসভার শতক মানুষ আক্রান্ত হয়।
রাস্তা/ফুটপাতে আবর্জনা পড়ে আছে।
৩নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিণ মীনা ম্যাডাম এর বাড়ির সামনে রোড থেকে দক্ষিণ বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে ময়লা আবর্জনা জমে থাকে। রাস্তাটি দুই ধারে বাড়ি থাকায় বৃষ্টির পানি পরতে পারে না এ কারণে রাস্তা ও ফুটপাত এর ময়লা আবর্জনা বৃষ্টির পানির মধ্যে মিশে নোংরা দূর্গনধ হয়ে , রাস্তার সাধারণ জনগণের অসুবিধার সম্মুখীন হয়। ঐ রাস্তায় যানবাহন চলাচলের সময় হেঁটে চলা পথিকদের গাঁয়ে নোংরা দূর্গনধ কাঁদা পানি লেগে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।ঐ রাস্তায় প্রতিনিয়ত সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী চলাচল করে ৫০০-১০০০এর বেশি। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য বেড়া পৌরসভার কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।
বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে।
৭ নং ওয়ার্ড হাতিগাড়া বউবাজার সেখানে অনেক দোকান আছে কিন্তু ময়লা আবর্জনা ফালানোর কোন নির্দিষ্ট জায়গা নাই এই বাজারের সাথে একটা পুকুর আছে সেখানে দোকানদারা অনেক ময়লা ফালায় এবং তার জন্য অনেক দুর্গন্ধ বের হয় এবং দেখা যায় বাজারে ২০০-৩০০ লোক সব সময় থাকে রাত বারোটা পর্যন্ত কিন্তু এই দুর্গন্ধের জন্য মানুষ থাকতে পারছে না তাই এইখানে একটা ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা জরুরি দরকার
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাগমাইর পাড়ায় সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক আবু সায়িদ সাহেবের বাড়ির পিছনের এলাকার ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন বা সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় যত্রতত্র আবর্জনা জমে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। নরকতুল্য দুর্গন্ধের কারণে এলাকার বাসিন্দা ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রব ও বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বেড়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এর সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বেড়া পৌরসভা গড়ে তুলতে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছি।
বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে আছে।
বেড়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চকপাড়া উওর বড় মসজিদ থেকে শুরু করে চকপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত কোন ডাস্টবিন নেই, বাড়িওয়ালারা বাড়ির সামনে রাস্তায় ময়লা ফেলে মসজিদ থেকে বীজ পর্যন্ত ৮-১০ টা ডাস্টবিন প্রয়োজন।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের হাতিগড়া পূর্বপাড়া নতুন জামে মসজিদের পাশের এই এলাকায় প্রায় ৩০-৩৫টি পরিবার বসবাস করে এবং প্রতিদিন ২০০-২৫০ জন মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। এলাকায় কোনো ডাস্টবিন না থাকায় রাস্তার পাশেই সবাই ময়লা-আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে— তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে যাতায়াত ও বসবাস কষ্টকর হয়ে পড়েছে। মশা-মাছির উপদ্রব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়েছে। ময়লার স্থানে কুকুরের উপদ্রব বাড়ায় ছোট বাচ্চারা হামলার শিকার হচ্ছে ও কামড় খাচ্ছে। অতএব, এলাকার পরিবেশ রক্ষা ও জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুত জমাকৃত ময়লা পরিষ্কার এবং একটি ডাস্টবিন স্থাপন অতীব জরুরি।
পৌরসভার সরবরাহকৃত লাইনে পানি আসছে না/পানি সরবরাহ বন্ধ আছে।
আমরা বেড়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চরপাড়া বনগ্রাম উত্তর (বড় কালীবাড়ি) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের এলাকায় পৌর সাপ্লাই পানি সরবরাহে স্বাভাবিক না। অধিকাংশ দিন কেবল সকাল ৭:৩০ থেকে ৮:৩০ পর্যন্ত পানি পাওয়া গেলেও এরপর থেকে আর কোনো পানি থাকে না। ফলশ্রুতিতে এলাকার সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ, রান্না-বান্না ও গোসলের কাজে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীকে নদী বা নিকটস্থ জলাশয়ের অপরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। নোংরা পানি ব্যবহারের ফলে ইতোমধ্যে এলাকায় চর্মরোগ (যেমন: চুলকানি) এবং বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে, যা সার্বজনীন জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
রাতে কোনো আলো দেখা যায় না।
৭নং ওর্য়াড হাতি গাড়া মধ্যে পাড়া জামে মসজিদের সামনে যে বিদ্যুৎ খাম্বা আছে তা অনেক দিন যাবত সমস্যা আছে এখানে এশার নামাজে অনেক বৃদ্ধ লোক নামাজের আসে তারা অন্ধকারে হাঁটতে পারে না সমস্যা হয় এবং এ রাস্তায় অনেক রাত পর্যন্ত মানুষ যাতায়াত করে থাকে এবং প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ লোক যাতায়াত করে তাই আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন যাতে মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে পারে এবং নামাজের লোকেরা মসজিদে আসতে পারবেন ইনশাআল্লাহ
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
৩নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিন অরুন মেকানিক এর বাড়ির সমুখে এই এলাকায় প্রচুর মশার উপদ্রব বেড়েছে, এখানে প্রায় ৫০টা পরিবারের বসোবাস। ময়লা আবর্জনা ঘনবসতি এলাকা বৃষ্টির পানি জমে থাকে,একারনে দিন দিন মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। তাই জনসাধারণকে ডেংগু ম্যালেরিয়া ইত্যাদি মশা বাহিত রোগ থেকে বাঁচাতে কতৃপক্ষের কাছে জরুরি পদক্ষেপ আশা করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
৩নং ওয়ার্ড বনগ্রাম দক্ষিন অরুন মেকানিক এর বাড়ির সমুখে। আমার এলাকায় প্রচুর মশার উপদ্রব বেড়েছে, এখানে প্রায় ৫০টা পরিবারের বসোবাস। ময়লা আবর্জনা ঘনবসতি বৃষ্টির পানি জমে থাকে, এসব কারণে মশার উৎপাত দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। তাই জনসাধারণকে ডেংগু ম্যালেরিয়া ইত্যাদি মশা বাহিত রোগ থেকে বাঁচানোর জন্য কতৃপক্ষের কাছে জরুরি পদক্ষেপ আশা করছি।
আবাসিক এলাকায় বর্জ্য সময়মতো সংগ্রহ করা হয় না।
test