অভিযোগসমূহ
সার্বজনীন অভিযোগের তালিকা দেখুন
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত মত্র বাধা সংলগ্ন, মোঃ বাসার হাজির বাড়ির সংলগ্নে। স্থানীয় নাগরিকেরা বসবাস করেন, স্থানীয় নাগরিকেরা ময়লা আবর্জনা ফেলে নোংরা করে রাখে। এবং ড্রেনের বদ্ধ পানি থাকার কারণে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। এই অঞ্চলে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টি পরিবার বসবাস করেন, সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে ময়লা আবর্জনা ও বদ্ধ পানি একটি বিপদজনক দিক হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ ময়লা আবর্জনা মশা মাছি নোংরা পরিবেশে থাকার কারণে, নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বদ্ধ পানি ও নোংরা আবর্জনার জন্য দিন দিন মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। সাধারণ জনগণকে সুস্থ সবল পরিবেশে রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট মশা নিধনের জন্য জরুরী পদক্ষেপ আসা করছি।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, মৈত্র বাঁধা সাবেক কমিশনার আলোর বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে একটি জলাশয় অবস্থিত। ওই স্থানের আশেপাশের স্থানীয় বাসিন্দাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে গণ পরিসরে রাস্তার ধারে জলাশয় টিতে ময়লা ফেলে। ওই এলাকায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। ওই রাস্তাটি এলাকার প্রধান রাস্তা হওয়ার কারণে প্রতিদিন ওই রাস্তা দিয়ে ২০০০এর অধিক সাধারণ জনগণ চলাচল করে। নোংরা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে রাস্তার সাধারণ লোকের চলাচলের অসুবিধা হয়। উক্ত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য এবং বজ্র ব্যবস্থাপনা ডাস্টবিনের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরি পদক্ষেপ আশা করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার 3 নং ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত সান্যাল পারার সংলগ্ন, মোঃ পলাশ শাহ একজন বড় মাপের ব্যবসায়ী যার বাড়ির সম্মুখে একটি পুকুর অবস্থিত রয়েছে। জলাশয় টিতে অনেকদিন যাবত বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে বদ্ধ পানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বদ্ধ পানি ও ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে, দিন দিন মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার কারণে ,সাধারণ জনগণ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই এরিয়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ টি পরিবার বা এরো অধিক লোক বসবাস করে। সাধারণ জনগণের সুস্থ সবল সুন্দর পরিবেশ থাকা প্রয়োজন, তাই মশা নিধনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অতি জরুরি পদক্ষেপ আশা করছি।
রাস্তা/ফুটপাতে আবর্জনা পড়ে আছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, মৈত্রবাধা ঈদগাহ মাঠের পূর্ব পাশের রাস্তা থেকে ভেতরের এলাকা বড় বাড়ির সামনে, নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার কারণে ময়লা আবর্জনা রাস্তার পাশে ফেলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ওই এলাকার আশেপাশে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। ময়লা আবর্জনা দুর্গন্ধের জনসাধারণ চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। নোংরা আবর্জনা থেকে মশা মাছির উপদ্রব বেড়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। উক্ত সমস্যা গুলোর সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট ওই এলাকায় জরুরী ডাস্টবিনের জন্য অনুরোধ করছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
৩নং ওয়ার্ডের বনগ্রাম (দক্ষিণ) এলাকায় দীর্ঘদিনের বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে পঁচা পুকুরে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা এবং আশেপাশে ও বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় প্রচুর মশার বংশবিস্তার ঘটছে। এ এলাকায় প্রায় ২-৩ হাজার পরিবারের বসবাস। ফলে মশার কামড়ে ডেংগু, ম্যালেরিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এলাকাবাসীকে এসব রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত, বনগ্রাম দক্ষিণ খান বাড়ির মোড় থেকে সামনের রোডে রোজা দক্ষিনে একটু সামনে আক্তার বক্স এর বাড়ির সামনে একটি বদ্ধ জলাশয় অবস্থিত। এ এলাকায় ৩০-৩৫ টি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। এখানে প্রধান রাস্তা থেকে ভেতরের এলাকা হওয়ার কারণে, চারপাশের বৃষ্টির পানি এই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থেকে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ফলে মশার উপদ্রব বর্তমান চরম আকার ধারণ করেছে। পানি শেচ বা নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই। এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে যেমন ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত নানা ধরনের রোগে সম্ভাবনা রয়েছে। উক্ত এলাকাটিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং স্প্রে বা ফগিংয়ের মাধ্যমে মশা নিধনের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরি পদক্ষেপ আশা করছি।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত সান্যাল পারার সংলগ্ন, মোঃ ইসাক এর বাড়ির সংলগ্নে একটি পুকুর রয়েছে। স্থানীয় নাগরিকদের ময়লা আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার কারণে, পুকুরটির পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলে নোংরা করে রাখে। এই রাস্তাটি দিয়ে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ মানুষ যাতায়াত করেন। রাস্তার পাশে নোংরা ,দুর্গন্ধ, মশা মাছি , ইত্যাদি থাকার কারণে সাধারণ জনগণের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। সাধারণ জনগণকে সুন্দর স্বচ্ছল পরিবেশে রাখার জন্য, কর্তৃপক্ষের নিকট একটি ডাস্টবিনের আবেদন করছি।
ড্রেন/জলাশয় পরিষ্কার রাখা হয় না।
বেড়া পৌরসভা, ৪নং ওয়ার্ড, বেড়া নতুন পারা মজিদ এর মোর তার পাশের সোহান ভিলার পাশের এই জলাবদ্ধতার কারণে মশার উপদ্রব বাড়ছে দিন দিন যার ফলে এলাকার মানুষ বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে ডেঙ্গু,জর ইত্যাদি। এর কারণে দৃর প্রভাব ফেলছে, মশার উপদ্রব বেরে গেছে অতি দ্রুত যদি ফগার মেশিন দ্বারা স্প্রে করে মশার নিধন করা হয় তাহলে এলাকা বাসি উপকৃত হবে।
এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড সান্যালপাড়া-আলহেরা ক্যানালে বৃষ্টির পানি জমে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ক্যানালের পাশের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০০-৫০০ মানুষ যাতায়াত করে এবং এখানে ৪০-৫০ টি পরিবার বসবাস করে। মশার উপদ্রব বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় লোকজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
নিয়মিত ফগিং করা হয় না।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড সান্যালপাড়া-চকপাড়া (নাজিরের দোকানের পাশে) মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে ৭-৮ টি দোকান রয়েছে এবং ১০-১৫ টি পরিবার বসবাস করে। মশার উপদ্রব বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় লোকজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হল।
ড্রেন বন্ধ/ময়লায় ভর্তি আছে।
বেড়া পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড সান্যালপাড়া- (আব্দুর হামিদ এর বাড়ির সামনে) ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। ময়লা আবর্জনাতে খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এতে অনেক দূর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।এখানে ৩০/৪০ টা পরিবারের মানুষ বসবাস করে। ময়লা আবর্জনা বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় লোকজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জনভোগান্তি নিরসনে উক্ত বিষয় বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।
বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা নেই।
বেড়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণপাড়া ( দাসপাড়া ) ড্রেনের পাশে যত্রতত্র ময়লা পড়ে থাকে এই ময়লা মাঝে মাঝে উপচে রাস্তায় চলে আসে, শেয়াল কুকুর ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে ইটিসি। এখানে একটা ডাস্টবিন দরকার।